বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০২:১২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ফুলপুরে আস্থা ও নির্ভরতায় ইউএনও শীতেশ চন্দ্র সরকার অল্পদিনেই মানুষের মণিকোঠায় ! সরিষাবাড়ীতে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন এর উপজেলা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। বানারীপাড়ায় বিদুৎ স্পর্শে ডকইয়ার্ডের মালিক মহসিনের মৃত্যু। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন অর্থাৎ “ক” শ্রেণির পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে উপকারভোগী নির্বাচন ও গৃহ নির্মাণ কাজ। বানারীপাড়ায় শিশু ধর্ষণ চেষ্টায় অভিযুক্ত যুবককে আটক করেছে পুলিশ। রামুতে ৪র্থ শ্রেণী পড়ুয়া এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার মান্দায় বড় চ্যালেঞ্জ দারিদ্র বিমোচন ও রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ছনধরা ইউপি উপনির্বাচনে নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বিজয়ী। পত্নীতলা উপজেলার আকবরপুর ইউনিয়নে আইন শৃঙ্খলা মিটিং অনুষ্ঠিত। ঠাকুরগাঁও-এ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক যুবক।

ধর্ষক কেন বেঁচে যায়…???

বিশেষ প্রতিবেদন:-  প্রতিদিন পত্রিকার পাতায় চোখ রাখলে। নিউজ টেলিভিশনে চোখ পড়লে সর্বপ্রথম দেখা যায় ধর্ষণ এর খবর।

ধর্ষণ এর চেয়ে খারাপ কাজ আর দ্বিতীয়টি আর কি হতে পারে।

কিন্তু দুঃখের বিষয়, দিন দিন যেন ধর্ষণ হত্যা বেড়েই চলেছে। আর বাড়বেই না কেন, যেখানে ধর্ষক নামের মানুষ রুপী কুকুরগুলোকে হাতে নাতে ধরেও বিচার হয় না। আর হলেও রায় হয় এক দশক পর।

সেখানে ধর্ষণ কি ভাবে বাড়বে না।
যেখানে ধর্ষণের শাস্তি পেতে হয় ধর্ষিতাকে নারী কে।

বর্তমানে বাংলাদেশের মধ্যে ধর্ষক আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। শুধু কি তাই ধর্ষণ করার পর জামিনে বেরিয়ে উল্লাস করে। ধর্ষক মোটরসাইকে শোডাউন করে ধর্ষক।

প্রশ্ন থেকে যায় যে দেশের প্রধানমন্ত্রী নারী সে দেশে কি করে নারী ধর্ষিত হয় প্রতিদিন।

যে দেশে ধর্ষক এর পক্ষে উকিল পাওয়া যায় সে দেশে কেমন করে ধর্ষণ বন্ধ হবে।

লক্ষ্য করলে দেখা যায়। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এর হিসাব অনুযায়ী ২০১৯ সালে এক হাজার ৪১৩ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়।

২০১৮ সালে এর সংখ্যা ছিল, ৭৩২ জন। ২০১৭ ধর্ষণের শিকার হয় ৮১৮ জন নারী।

এই দিকে ২০১৯ সালে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় ৭৬ জনকে
আর আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয় ১০ জনকে,
যার মধ্যে অনেকগুলোর বিচার হলেও, সময় লেগেছে অনেক।

তারপরও কমে আসেনি ধর্ষণ এর সংখ্যা। প্রতিনিয়ত ধর্ষিত হচ্ছে শত শত মা বোন।

ধর্ষিত শুধু একটা নারী হয় না ধর্ষিত হয় সারাদেশ।
এক্ষেত্রে শুধু একজন নারী ধর্ষিত হয় না।
ধর্ষিত হয় পুরো সমাজ।

একজন বাবার একজন স্বামীর পুরো জীবন,তার আদর-সোহাগ। ধর্ষণ করা হয় একটা পুরো পরিবারের ভবিষ্যৎকে।

ধর্ষিত হয় আমাদের আদর্শ।

যখন একজন নারী ধর্ষিত হয়। তার মা-বাবার দিকে সমাজ বাঁকা চোখে তাকায়, তার ভাই-বোন আগের মত বন্ধুদের সাথে সহজে মিশতে পারে না। তারা একরকম একঘরে হয়ে থাকতে হয়।

যে নারী ধর্ষিত হয়, তার পরিবারও সমাজে বঞ্চনার শিকার হয়। আত্মীয় স্বজন এড়িয়ে চলে।

আর ধর্ষিতার কথা কি বলবো। সে তো আজীবন মরে যাবার ইচ্ছে নিয়ে বেঁচে থাকে। জীবন্ত লাশ হয়ে থাকে।
পৃথিবী টা তার কাছে নরক আর বেঁচে থাকাটা তার জন্য নরকের শাস্তি হয়ে থাকে।

পুরুষ জাতি তখনই মরে গেছে যখন তারই সামনে তার মেয়ে তার স্ত্রীকে বিবস্ত্র করে কতগুলো কুকুর ছিবড়ে,খুবলে খেয়েছে।

তারা আর কোন রাতে শান্তিতে ঘুমুতে পারবেনা, পারবেনা এই পৃথিবীর বুকে স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে।
একজন মানুষকে যখন খুন করা হয়। তখন সে মৃত্যুকালীন সময়েই যন্ত্রণা ভোগ করে।

কিন্তু যখন একজন নারীকে ধর্ষণ করা হয়। তখন থেকে সে যতদিন বেঁচে থাকে ততদিন মৃত্যু যন্ত্রণা ভোগ করে যেতে হয়।

তাই দলমত নির্বিশেষে সকলের উচিৎ স্বোচ্চার হয়ে সমাজের ঐ অবৈধ সন্তানগুলোকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যাবস্থা করা। সম্ভব হলে ধর্ষণ এর জন্য আলাদা দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল গঠন করা।

পাঠিয়েছেন:- সরোয়ার উদ্দিন নিরব রিমন

সংবাদটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017 আজকের তাজা খবর
Design & Developed BY Suhag Rana