শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বানিয়াচংয়ে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দু’পক্ষের ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ আহত ১৫জন।।মুমূর্ষু অবস্থায় একজনকে সিলেট প্রেরন।। বৃক্ষপ্রেম থেকে সফল নার্সারি ব্যবসায়ী, বকুল মিয়ার দুঃখ সংগ্রাম সফলতা ও জীবনের গল্প। আবারো প্রমান মিললো রমজান রাত প্রায় ৩ টা নাগাত ! মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। সাপাহারে পুলিশের উদ্যোগে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ বাংলাদেশে এই প্রথম বৌদ্ধ সমাজে ২০ কোটি টাকা বাজেটে ৫ তলা বিশিষ্ট সংঘ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্থর বানিয়াচংয়ে বৃদ্ধ‘র মৃত্যু রহস্য ঘিরে ধু্ম্রজালের সৃষ্টি ফুলপুরে দরিদ্র কৃষকের ধান কেটে মানবতার পরিচয় দিল ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। কুড়িগ্রামে কৃষক লীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত “আয়োজন করা হলো অনলাইন সিলেটি কুইজ প্রতিযোগিতা-২.০” সংবাদ সম্মেলন।। গ্রাম্য মাতব্বরদের ইন্ধন,বানিয়াচংয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী আহত। বসতঘর ভেঙ্গে দেওয়ায় খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবনযাপন।

ফুলপুরে বওলা ইউপি সচিব নিলুফার ইয়াসমিন অনিয়ম থামাবে কে?

গোলাম মোস্তফা, ফুলপুর প্রতিনিধিঃ ফুলপুর উপজেলার ১০ নং বওলা ইউনিয়ন পরিষদের যেন এক অনিয়মের কারখানা।

দুর্নীতির মূল কারিগর হল সচিব, নিলুফার ইয়াসমিন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে থাকে এলাকার নিরীহ ও সাধারণ জনগনকে,নিয়মনিতি না মেনে সচিব তার মনগড়া মতে চালাচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ,বওলা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নিলুফা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন করার জন্য জনপ্রতি দুইশত টাকা করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জন্ম নিবন্ধন ও মৃত্যু নিবন্ধন,জন্মের ও মৃত্যুর প্রথম দিন থেকে পয়তাল্লিশ দিন পর্যন্ত সরকারি, নির্ধেষ অনুযায়ী কোন টাকা লাগেনা,তারপরও সচিব নিচ্ছে(৩০০/-)তিনশত টাকা,ছয়চল্লিশ দিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত(২৫/-)পঁচিশ টাকার কথা থাকলেও সচিব নিচ্ছে (৩০০) তিনশ’ টাকা।

পাঁচ বছরের উপরে যত বছর হোক (৫০/-)পঞ্চাশ টাকা,নেওয়ার কথা থাকলেও নিয়মভঙ্গকারী সচিব নিলুফার ইয়াসমিন নিচ্ছে (২০০/৩০০-)টাকা উত্তরাধিকারি সনদ কোন টাকা লাগবেনা,সরকারি ভাবে নিষেধ থাকলেও অনিয়মকারী সচিব নিলুফার ইয়াসমিন নিচ্ছে(২০০/-)দুইশত টাকা,প্রতি মৃত্যু সনদ এ তাকে দিতে হয় (২০০)দুইশত টাকা এ ভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা।

এ বিষয়ে’ এই প্রতিবেদকের,তদন্তে বেরিয়ে আসে পরিষদের আসল রুপ, কেউ যদি কোন সনদের জন্য আবেদন করেন,তাহলে অতিরিক্ত বিভিন্ন হারে টাকা চেয়ে থাকেন পরিষদের সচিব নিলুফার ইয়াসমিন,এবং নিরীহ ও সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়, তাছাড়া কেউ যদি সনদের অতিরিক্ত ফি দিতে রাজি না হয়,ঐ কাজ রাখতে রাজি হয়না সচিব নিলুফার ইয়াসমিন ।

অভিযোগ করেন বওলা গ্রামের সাহেরা খাতুন,মরম আলী খান ও রামসোনা গ্রামের আ. গফুর।তাদের কাছ থেকে নিবন্ধনপ্রতি ২০০ টাকা করে নিয়েছেন ইউপি সচিব নিলুফা ইয়াসমিন।

সাধারণ মানুষ নয়, ইউপি সদস্যদের কাছ থেকেও তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। ওই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য জহিরুজ্জামান মুন্না একটি মৃত্যু সনদের ৩০০ টাকা দিয়েছেন। তবে, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা প্রতিবাদ করলেও কোনো কাজ হচ্ছে না। সচিব তার নিজের তৈরি নিয়মেই জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করছেন।

এই বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক,একাধিক সদস্য জানান বওলা ইউনিয়নের মানুষকে সহজ সরল মানুষ পেয়ে ইউপি সচিবের এভাবেই হাতিয়ে নিচ্ছে অনেক টাকা।

তারা জানান আমরা সচিবকে বলছিলাম সহজ সরল মানুষ পেয়ে যে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন পরে যদি জানাজানি হয়,সচিব নিলুফার ইয়াসমিন রাগান্তিক হয়ে বলেন আমি এই পরিষদের মানুষকে কোন কেয়ার করিনা।

বওলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ বলেন, ‘বিষয়টি শোনার পর সচিবকে সতর্কও করা হয়েছে। এবার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।’

অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয় বওলা ইউনিয়নের সচিব নিলুফার ইয়াসমিনের কাছে জানতে চাইলে মুঠোফোনে তিনি জানান,তার বিরুদ্ধে জন্ম-মৃত্যু সনদ দেওয়ার বিপরীতে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ সত্য নয়।আমাকে ফাঁসানোর জন্যই এসব অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে।’

এ বিষয়ে ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শীতেষ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ভূক্তভোগী ও সচেতন মহল জানিয়েছে, অনতিবিলম্বে জনগনের হয়রানি বন্ধ করে,অতিরিক্ত টাকা আদায় কারী ইউপি সচিব নিলুফার ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী ইউনিয়ন বাসীর।

সংবাদটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017 আজকের তাজা খবর
Design & Developed BY Suhag Rana