শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বানিয়াচংয়ে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দু’পক্ষের ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ আহত ১৫জন।।মুমূর্ষু অবস্থায় একজনকে সিলেট প্রেরন।। বৃক্ষপ্রেম থেকে সফল নার্সারি ব্যবসায়ী, বকুল মিয়ার দুঃখ সংগ্রাম সফলতা ও জীবনের গল্প। আবারো প্রমান মিললো রমজান রাত প্রায় ৩ টা নাগাত ! মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। সাপাহারে পুলিশের উদ্যোগে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ বাংলাদেশে এই প্রথম বৌদ্ধ সমাজে ২০ কোটি টাকা বাজেটে ৫ তলা বিশিষ্ট সংঘ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্থর বানিয়াচংয়ে বৃদ্ধ‘র মৃত্যু রহস্য ঘিরে ধু্ম্রজালের সৃষ্টি ফুলপুরে দরিদ্র কৃষকের ধান কেটে মানবতার পরিচয় দিল ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। কুড়িগ্রামে কৃষক লীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত “আয়োজন করা হলো অনলাইন সিলেটি কুইজ প্রতিযোগিতা-২.০” সংবাদ সম্মেলন।। গ্রাম্য মাতব্বরদের ইন্ধন,বানিয়াচংয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী আহত। বসতঘর ভেঙ্গে দেওয়ায় খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবনযাপন।

শ্রীবরদীতে (০২)টি পাতিল হাতির অবস্থান।

মো:আলমগীর হোসাইন, শ্রীবরদী -শেরপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মী আর গোলাপ ! না, কোন মানুষের নাম নয়। নাম দুটি হচ্ছে দুইটি পালিত হাতির। প্রায় সপ্তাহখানেক হতে শ্রীবরদীতে অবস্থান করছে এই হাতি দুটি। ওরা একা নয়, ওদের দেখভালের জন্য আছে পাঁচ-পাঁচজন মাহুত। সূদুর বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা হতে হেঁটে হেঁটে হাতি দুটিকে শ্রীবরদী পর্যন্ত আনা হয়েছে। পৌর শহরের তাতীহাটি মহল্লার জলিলিয়া কেরাতুল কোরআন নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মাঠে গতকাল রাত্রি যাপন করেছে হাতি দুটি ও তাদের মাহুতগণ। আজ (১ মার্চ) সকালে মাহুতদের সঙ্গে সাংবাদিক পরিচয়ে কথা বলতে গেলে তারা কোন তথ্যই দিতে চাইলোনা। অনেক অনুরোধেও ওদের মুখ খুলছিলনা। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রভাব খাটানোতে কিছুটা তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। নিজেদের নাম পর্যন্ত বলতেও এদের বড় দ্বিধা! ওদের ধারণা সাংবাদিককে তথ্য দিলে তাদের এ বাণিজ্যে ভাটা পরতে পারে। এই সব হাতি দিয়ে চলে এক প্রকার বাণিজ্য। স্থানীয় বাজারে গিয়ে গিয়ে প্রতিটি দোকান হতে এরা টাকা সংগ্রহ করে। হাতিকে সেই ভাবেই প্রশিক্ষিত করা, প্রতিটি দোকানে গিয়ে হাতি তার শুড় দিয়ে দোকানিকে সালাম জানায়। এতে কেউ তৃপ্ত হয়ে ১০-২০ টাকা দেয়, তবে ১০ টাকার কম হলে হাতি তা কোনভাবেই গ্রহণ করেনা। এটাকে স্থানীয় দোকানিরা এক প্রকার জুলুম এবং চাঁদাবাজি বলেই মনে করেন। যাযাবর জীবন এদের। যেখানেই ক্লান্তি সেখানেই ওদের ঘর-বাড়ি। তাই স্থানীয় জনগণ মনে করেন, অনেক কষ্টে ভরা এদের জীবন। তাই মানবিক কারণেই স্থানীয় ব্যক্তির বাধা-বিপত্তি ছাড়াই অনায়াসে চলছে তাদের এই ভিন্ন রকম বাণিজ্য।

সংবাদটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017 আজকের তাজা খবর
Design & Developed BY Suhag Rana